মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১১:৫১:৩৬

শোকজ চিঠি পাচ্ছেন মন্ত্রী-এমপিসহ আ’লীগের ১৫০ নেতা

শোকজ চিঠি পাচ্ছেন মন্ত্রী-এমপিসহ আ’লীগের ১৫০ নেতা

ঢাকা: উপজেলা নির্বাচনে বিদ্রোহ ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের মদদ দেয়ার কারণে সারাদেশে ১৫০ জন নেতাকে শোকজ করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। এ তালিকায় মন্ত্রী, এমপি ও দলটির প্রভাবশালী নেতাও আছেন। আজ থেকে তাদেরকে চিঠি দেয়া হবে। রেজিস্ট্রি ডাকযোগে পাঠানো এই চিঠির জবাব দিতে হবে তিন সপ্তাহের মধ্যে।

শনিবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে যারা বিদ্রোহী ছিলেন, তাদের শোকজের সিদ্ধান্ত আগে থেকেই ছিল। ১৫০ জনের মতো নেতাকে শোকজ নোটিশ ইস্যু করা হবে। শোকজের জবাবের জন্য তিন সপ্তাহ সময় দেয়া হবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এমপি-মন্ত্রী যারা মদদদাতা, তাদেরও শোকজ করা হবে। তবে তাদের নাম প্রকাশ করতে চাননি ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, মদদদাতাদের মধ্যে কেন্দ্রীয় নেতাও থাকতে পারেন। যাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও মদদ দেয়ার অভিযোগ আছে, তারা সবাই শোকজ চিঠি পাবেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৫ দিনের সময় দিয়ে অভিযুক্ত বরাবর শোকজ চিঠি পাঠানো হবে। চিঠিতে ‘কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না’, তা-ও জানতে চাওয়া হবে। জবাব সন্তোষজনক না হলে দলীয় পদসহ স্থায়ী বহিষ্কার হবেন অভিযুক্ত নেতারা।

প্রসঙ্গত, ১৭ জুলাই ‘উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী : বহিষ্কারের তালিকায় দু’শ- শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর ২০ জুলাই সংবাদ সম্মেলন করে চিহ্নিত দু’শ বিদ্রোহী প্রার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার ও শোকজের ঘোষণা দেন ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা জানান, বিদ্রোহী প্রার্থী ও মদদদাতাসহ ১৫০ জনের নামের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ তালিকা আরও বাড়তে পারে। তালিকায় থাকা কিছু নাম বাদও পড়তে পারে। তবে আজ সকালে শোকজ চিঠি পাঠানোর মুহূর্তে তা পরিষ্কার জানা যাবে।

চলতি বছরের মার্চ ও জুনে পাঁচ ধাপে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৮ বিভাগে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলেন দুই শতাধিক। এর বাইরে দলটির সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলেন শতাধিক।

উপজেলা নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী যারা ছিলেন

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বদিউজ্জামান, দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবদুল মজিদ সরদার, চারঘাট উপজেলা পরিষদের উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি টিপু সুলতান। নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বাবলু, গুরুদাসপুরে জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সরকার এমদাদুল হক মোহাম্মদ আলী। নওগাঁ জেলার রানীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আনোয়ার হোসেন হেলাল, পোরশা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অধ্যক্ষ শাহ মঞ্জুর মোরশেদ চৌধুরী, সাপাহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান হোসেন মণ্ডল। পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোখলেছুর রহমান মিন্টু। চাটমোহর উপজেলায় জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবদুল হামিদ মাস্টার, চাটমোহর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মির্জা আবু হায়াত মো. কামাল জুয়েল। সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান। বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক।

খুলনার পাইকগাছায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সচিব মোড়ল রশিদুজ্জামান, যশোরের চৌগাছায় উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এসএম হাবিবুর রহমান, মনিরামপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগ সহসভাপতি আমজাদ হোসেন লাভলু, ঝিকরগাছায় উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, কেশবপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি কাজী রফিকুল ইসলাম।

মাগুরার শালিখায় উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন। নড়াইল জেলার কালিয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এসএম হারুনার রশীদ, লোহাগড়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিকদার আবদুল হান্নান রুনু, সাধারণ সম্পাদক ফায়জুর আমীর লিটু।

ঝিনাইদহ সদরে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য জেএম রশিদুল আলম, শৈলকুপায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মোশাররফ হোসেন ওরফে সোনা সিকদার। চুয়াডাঙ্গা সদরে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন, আলমডাঙ্গায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আইয়ুব হোসেন, জীবননগরে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোর্তুজা, সহসভাপতি নজরুল মল্লিক।

কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালীতে উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য জয়নাল আবেদীন। সাতক্ষীরা সদরে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এসএম শওকত হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোরশেদ, তালা উপজেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এমএম ফজলুল হক, কলারোয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টু, কালীগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাঈদ মেহেদি, আশাশুনিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম পিন্টু, দেবহাটা উপজেলায় জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক মো. গোলাম মোস্তফা।

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফতাব আলী কালা মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াকুব আলী। জৈন্তাপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি কামাল আহমদ, বিয়ানীবাজারে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাকির হোসেন। সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলায় জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মঞ্জুর আলম চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আলতাব উদ্দিন। শাল্লা উপজেলায় জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট অবনী মোহন দাস, ধর্মপাশা উপজেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ফখরুল ইসলাম চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ বিলকিস, জামালগঞ্জে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি রেজাউল করিম শামীম।

মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোয়েব আহমদ, জুড়ীতে হল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা এমএ মোঈদ ফারুক, কুলাউড়া উপজেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ একেএম সফি আহমদ সলমান।

হবিগঞ্জ সদরে পৌর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মো. মোতাচ্ছিরুল ইসলাম, লাখাই উপজেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহফুজুল আলম মাহফুজ ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রফিক আহমেদ, চুনারুঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের, বাহুবলে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি আবদুল কাদির চৌধুরী, বানিয়াচং উপজেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন খান।

পটুয়াখালী সদরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম মৃধা, দুমকিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহজাহান সিকদার, মির্জাগঞ্জে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য খান মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক, দশমিনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এমএ বশার ডাবলু, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সাখাওয়াত শওকত হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক হাজী আবু বক্কর সিদ্দিক।

ঝালকাঠি সদরে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম এবং সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান। রাজাপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মিলন মাহমুদ বাচ্চু, কাঁঠালিয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক গোলাম কিবরিয়া সিকদার, বরিশালের হিজলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বেলায়েত হোসেন ঢালী।

পিরোজপুর সদরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমান। ভোলার তজুমদ্দিনে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি মোশারফ হোসেন।

দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান, বিরামপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খায়রুল ইসলাম রাজ, খানসামায় জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আবু হাতেম, চিরিরবন্দরে জেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম তারিক, কাহারোলে সাবেক এমপি আবদুল মালেক সরকার, বীরগঞ্জে জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা আখতারুল ইসলাম চৌধুরী বাবুল, ফুলবাড়ীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি সুদর্শন পালিত।

পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়ায় জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোছা. ফরিদা আখতার হীরা, আটোয়ারীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আনিসুর রহমান, দেবীগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক চিশতী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন-উর রশিদ।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য খয়বর হোসেন, সাদুল্যাপুরে জেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক মতিয়ার রহমান, গোবিন্দগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মুকিতুর রহমান রাফি ফেরদৌস আলম রাজু।

কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাটে রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক সম্পাদক সোহরাওয়ার্দী বাপ্পি, ফুলবাড়ীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী, রাজিবপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আকবর হোসেন।

লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বদিউজ্জামান ভেলু, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক সরওয়ার হায়াত খান।

ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সফিকুল ইসলাম, পীরগঞ্জ উপজেলায় দৌলতপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রাজেন্দ্র নাথ রায়।

রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক মেজবাহুর রহমান প্রধান। চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলায় দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি ও শ্রমবিষয়ক সম্পাদক মো. খোরশেদ আলম, বোয়ালখালীতে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল কাদের ও উপজেলা আওয়ামী লীগের এডহক কমিটির সহসভাপতি শ্রমিক নেতা এসএম নুরুল ইসলাম।

কক্সবাজারের টেকনাফে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জাফর আলম, রামুতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সোহেল সরওয়ার কাজল, মহেশখালীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শরীফ বাদশা, চকরিয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগ সহসভাপতি ফজলুল করিম সাঈদী।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা লায়ন ফিরোজুর রহমান ওলিও, নাসিরনগরে উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এটিএম মনিরুজ্জামান সরকার, সরাইলে আওয়ামী লীগের উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিক উদ্দিন ঠাকুর, আশুগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আনিসুর রহমান।

কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির ভূঞা, ভৈরব উপজেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল মনসুর, ইটনা উপজেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. খলিলুর রহমান, বাজিতপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. মোবারক হোসেন মাস্টার।

রাজবাড়ী সদরে জেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা এসএম নওয়াব আলী, পাংশায় উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফরিদ হাসান ওদুদ, বালিয়াকান্দিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এহসানুল হাকিম সাধন।

শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ীতে আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোকছেদুর রহমান লেবু ও নালিতাবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য গোলাম ফারুক, নকলা উপজেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ্ মো. বোরহান উদ্দিন, শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাচনে জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য এডিএম শহিদুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবদুল মতিন।

টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনছার আলী, টাঙ্গাইল সদরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম, দেলদুয়ারে জেলা আওয়ামী লীগের উপপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মারুফ, বাসাইল উপজেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী অলিদ ইসলাম।

ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সাবেক সহসম্পাদক সাহাদাত হোসেন ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী হেদায়েত উল্লাহ সাকলাইন, সদরপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী শফিকুর রহমান, সদরপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি কাজী শফিকুর রহমান, নগরকান্দায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সাবেক সহসম্পাদক কাজী শাহজামান বাবুল, সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওয়াদুদ মাতুব্বর, চরভদ্রাসনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার আলী মোল্লা।

গাজীপুর জেলার শ্রীপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট শামসুল আলম প্রধান, কালিয়াকৈরে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. কামাল উদ্দিন সিকদার, কাপাসিয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমীন।

ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাটে উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা কবিরুল ইসলাম বেগ। ধোবাউড়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অ্যাড. হাবিবুর রহমান। ফুলপুরে পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউল করিম রাসেল। গৌরীপুর উপজেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক আলী আহাম্মদ খান পাঠান সেলভী। জামালপুরের ইসলামপুরে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জিয়াউল হক ও দেওয়ানগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগের কৃষিবিষয়ক সম্পাদক সোলাইমান হোসেন।

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায় জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এডিএম শহিদুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবদুল মতিন।

নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টায় জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মাইনুল হক কাসেম, দুর্গাপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সাইদুল হোসেন আকুঞ্জি, কামাল পাশা, কলমাকান্দায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ফজলুল হক ফজলু, মদনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ইফতেখার আলম খান চৌধুরী।

মন্ত্রী-এমপিসহ প্রভাবশালী নেতাদের মধ্যে যাদের শোকজ করা হচ্ছে তাদের নাম জানা যায়নি।

 

এই বিভাগের আরও খবর

  দলীয় প্রার্থী রিটাকে নিয়ে বিব্রত রংপুর বিএনপি

  ছাত্রলীগের সামনে ৮ চ্যালেঞ্জ: আজ থেকে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু

  ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের ১০ ইউটিউব চ্যানেল সক্রিয়

  শোকজ চিঠি পাচ্ছেন মন্ত্রী-এমপিসহ আ’লীগের ১৫০ নেতা

  ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি প্রার্থী আ’লীগ নেতার ছেলে!

  রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান কোন পথে

  ছাত্রদলের সম্পাদক পদে আলোচনায় যারা, সবার উদ্দেশ্য এক

  বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার দাবি জানাতে হিন্দু মহাজোটের ৩ প্রতিনিধি দল ভারতে

  সেই ২৩৪ এমপি প্রার্থী এখন কোথায়

  ভারতের স্বাধীনতা দিবসে বাজলো বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত, উড়লো লাল সবুজ পতাকা

  ৩ সিটিতে মেয়র পদে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী যারা

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?