বুধবার, ২৩ অক্টোবর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ০২ অক্টোবর, ২০১৯, ১১:৪৬:০০

উপজেলা নির্বাচনে আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী: শোকজের জবাবে ক্ষমা প্রার্থনা

উপজেলা নির্বাচনে আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী: শোকজের জবাবে ক্ষমা প্রার্থনা

ঢাকা: আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় দফতর থেকে পাঠানো শোকজ চিঠির জবাব পাঠানোর শেষ কার্যদিবস ছিল মঙ্গলবার। সারাদেশে ১৭৭ জন নেতাকে শোকজ চিঠি পাঠানো হয়েছিল। তাদের অধিকাংশই শোকজের জবাব দিয়েছেন।

ডাকযোগে পাঠানো ফিরতি চিঠির শুরুতে আত্মপক্ষ সমর্থন করে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন তারা। অনেকে নির্বাচনে অংশ নেয়ার কারণ উল্লেখ করতে গিয়ে নিজ আসনের মন্ত্রী, এমপি ও প্রভাবশালী নেতাদের দায়ী করেছেন। আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়া আট সাংগঠনিক বিভাগের দুশ’ নেতাকে তালিকাভুক্ত করে আওয়ামী লীগ। পরবর্তীতে অধিকতর যাচাই-বাছাই শেষে দলীয় পদধারী ১৭৭ নেতার নামে শোকজ চিঠি পাঠানো হয়।

২১ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দেয়ার নির্দেশ দিয়ে শোকজ চিঠি পাঠানো হয় ৮ সেপ্টেম্বর। মঙ্গলবার পর্যন্ত শোকজ নোটিশের অধিকাংশের জবাব কেন্দ্রে জমা পড়ছে। আওয়ামী লীগের দফতর বরাবর পাঠানো ফিরতি চিঠির শুরুতে ক্ষমা প্রার্থনার পাশাপাশি অভিযুক্তদের অনেকে সশরীরে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে দেখা করেও ক্ষমা চেয়েছেন। তবে চিঠি না পাওয়া, শোকজ জবাব দিতে অনীহা থেকেও চিঠির জবাব দেননি অনেকে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ বলেন, ‘শোকজের জবাব যারা দিয়েছেন তাদের বিষয়ে আগামী কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হবে। আর যারা জবাব দিচ্ছেন না তাদের শাস্তি শোকজ জবাবের সময়সীমা শেষে (বুধবার থেকে) অটোমেটিক কার্যকর হয়ে যাবে।’

আওয়ামী লীগের দপ্তর সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার শোকজের জবাব দেয়ার সময়সীমা শেষ হলেও এখনও জবাব দেননি অনেকে। এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত ১৪৫টি শোকজ নোটিশের জবাব কেন্দ্রে জমা পড়েছে। বাড়তি সময় চেয়ে আবেদনও করেননি বাকি ৩২ জন।

সূত্র জানায়, প্রথম দফায় শুধু দলীয় পদধারী আওয়ামী লীগ নেতাদের শোকজ করা হয়েছে। এই তালিকায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য পর্যন্ত পদে থাকা নেতারা রয়েছেন, যারা উপজেলা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে নির্বাচন করেছেন।

আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারক পর্যায়ের কয়েক নেতা  জানান, বিদ্রোহী প্রার্থীদের পাঠানো শোকজ চিঠির জবাবে পাঠানো ফিরতি চিঠিতে অনেক প্রভাবশালী নেতার নাম উঠে এসেছে। মন্ত্রী-এমপি আছে। তাদের নামের তালিকা আলাদা করা হচ্ছে। তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর চলমান সাংগঠনিক অভিযানে এসব দলীয় মন্ত্রী-এমপি ও প্রভাবশালী নেতারা শাস্তির মুখোমুখি হতে পারেন।

৮ সেপ্টেম্বর পাঠানো শোকজ চিঠিতে বিদ্রোহী প্রার্থীদের কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়। জবাব সন্তোষজনক না হলে অভিযুক্ত নেতারা দলীয় পদসহ স্থায়ী বহিষ্কার হতে পারেন বলে আওয়ামী লীগের একটি সূত্র জানিয়েছে। ৫ ধাপে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগেরই দুশ’ নেতা নৌকার বিপক্ষে নির্বাচন করেন। তাদের মদদদাতা হিসেবে প্রায় অর্ধশত সংসদ সদস্য, মন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে আসে। ১২ জুলাই অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে ‘বিদ্রোহী’ ও তাদের মদদদাতাদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত হয়। তবে বন্যা, ডেঙ্গু ও শোকাবহ আগস্টের কারণে এই কার্যক্রম পিছিয়ে যায়।

এই বিভাগের আরও খবর

  পূর্ণাঙ্গ হচ্ছে স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি

  নাইট গার্ড বাবার ছেলে ধনকুবের ছাত্রলীগের নাজমুল

  চমেকে সরঞ্জাম কেনার প্রস্তাবেই দুর্নীতি: একটি ক্যাপ-মাস্কের দাম ৮৪ হাজার টাকা

  উপজেলা নির্বাচনে আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী: শোকজের জবাবে ক্ষমা প্রার্থনা

  জুয়া থেকে হুইপ শামসুলের আয় ১৮০ কোটি টাকা

  প্রধানমন্ত্রীর কঠোর বার্তা: অন্যরকম ছাত্রলীগ নেতারা সতর্ক

  দলীয় প্রার্থী রিটাকে নিয়ে বিব্রত রংপুর বিএনপি

  ছাত্রলীগের সামনে ৮ চ্যালেঞ্জ: আজ থেকে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু

  ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের ১০ ইউটিউব চ্যানেল সক্রিয়

  শোকজ চিঠি পাচ্ছেন মন্ত্রী-এমপিসহ আ’লীগের ১৫০ নেতা

  ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি প্রার্থী আ’লীগ নেতার ছেলে!

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?