বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৭, ০৭:৪৬:৩১

১০ ভারতীয়সহ ৭৭ বিপিএল জুয়াড়ি আটক

১০ ভারতীয়সহ ৭৭ বিপিএল জুয়াড়ি আটক

স্পোর্টস ডেস্ক : বিপিএল নিয়ে জুয়া খেলার অভিযোগে ৭৭ জুয়াড়িকে স্টেডিয়াম থেকে আটক করা হয়েছে। বিসিবির দুর্নীতি দমন বিভাগ শুক্রুবার ম্যাচ চলাকালীন সময় স্টেডিয়াম এলাকা থেকে তাদের আটক করে।

 

এই ৭৭ জন জুয়ারিদের মধ্যে ১২ জন বিদেশিদের মধ্যে ১০ ভারতীয় ও ২ জন অন্য দেশের ও বাকি ৬৫ জন বাংলাদেশি। খেলা চলাকালীন সময়ে গ্যালারিতে বসেই এরা জুয়ায় সহযোগিতা করছিল।

 

গত বছরেও প্রায় শতাধিক জুয়ারিকে আটক করেছিল বিসিবি। বিসিবির বিশেষ দল অনুসন্ধান করে তাদের সনাক্ত করার পরেই পুলিশে ধরিয়ে দেয়। তবে গত বছর ভারতীয়দের সংখ্যা বেশি থাকলেও এবার দেশিদের সংখ্যাই বেশি।

 

আজ সংবাদ সম্মেলন করে বিসিবির পক্ষে বলেন বিপিএলের সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক জানালেন, ‘সারা দেশে ক্রিকেট জুয়া বন্ধে তাঁদের খুব বেশি কিছু করার নেই। তবে স্টেডিয়ামে কাউকে যদি বেটিং করতে দেখা যায়, সেটি বন্ধে বিসিবি সর্বোচ্চ ব্যবস্থাই নেবে। এরই মধ্যে ৭৭ জন জুয়াড়িকে ধরেছে বিসিবি। এর মধ্যে বাংলাদেশের ৬৫ জন। ১২ বিদেশি জুয়াড়ির ১০ জনই ভারতীয়। সবাইকে পুলিশের কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু দেশে ক্রিকেট জুয়া নিয়ে আইন না থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা বা সাধারণ ডায়েরি করা যায়নি।’ সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক অধিনায়ক ও ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির প্রধান  আকরাম খান ও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস।

 

মাঠের চেয়ে টিভি-রেডিওতে কিছুক্ষন পরে সম্প্রচার হওয়ায় জুয়ারিরা মাঠে বসেই চালাতে থাকে তাদের জুয়া কার্যক্রম। বল বাই বল ফোন দিয়েই বাইরে আপডেট জানানো হয়।

 

এর আগেও বিপিএলের জুয়া নিয়ে রাজধানীর বাড্ডা থেকে একজন নিহত হয়েছে। বিপিএলের সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক তাই নিজেদের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করে জানালেন, ‘আসলে জুয়া বন্ধে সচেতনতা তৈরি ছাড়া বিসিবির কিছু করার নেই। আমরা স্টেডিয়ামে এলইডি ও স্কোরবোর্ডে এটা নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা করছি। সারা দেশে যে জুয়া হচ্ছে, সেটা বন্ধে আমাদের কিছু করার নেই। এটা পুরোপুরি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপার। আমাদের দেশে বেটিং নিয়ে কোনো আইনও নেই। তবে স্টেডিয়ামের মধ্যে দুর্নীতি দমন ও নিরাপত্তা—এই দুটি ইউনিট কাজ করে আসছে। স্টেডিয়ামের মধ্যে বেটিং বা এ রকম কিছু হলে সেটার ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবে এই দুই ইউনিট। কিন্তু জুয়াড়িদের ধরলেও আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারি না। তাদের বিরুদ্ধে মামলা বা সাধারণ ডায়েরি করতে পারি না।’

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বর্তমানে দেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা নাগালের বাইরে চলে গেছে। আপনি কি একমত?