রবিবার, ২৯ মার্চ ,২০২০

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২০, ১০:৪৩:৩৬

বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গন থেমে গেলেও থাকবে না বাফুফে

বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গন থেমে গেলেও থাকবে না বাফুফে

স্পোর্টস ডেস্ক : পুরো বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও থাবা বসিয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। দেশে ইতোমধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত দুইজন মারা গেছেন। এমন পরিস্থিতিতে পুরো বিশ্বে অন্য সবকিছুর মতো ক্রীড়াঙ্গনও থেমে আছে। বাংলাদেশে সব ধরনের খেলাধুলা আপাতত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এইদিকে আজ থেকে অফিসিয়াল কার্যক্রম স্থগিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

তবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কার্যক্রম স্থগিত হচ্ছে না। নির্ধারিত সময়েই হবে বাফুফের নির্বাচন। আর আগামী ৩ এপ্রিল নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। শনিবার (২১ মার্চ) বাফুফে ভবনে মেজবাহউদ্দিনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বাফুফে নির্বাচন কমিশনের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে সংস্থাটির পক্ষ থেকে এসব সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার মেজবাহউদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘২০২০ বাফুফে নির্বাচনকে সামনে রেখে আমরা প্রথম সভা করলাম। এখন পর্যন্ত ২০ এপ্রিলকে সামনে রেখে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। ৩ এপ্রিল শুক্রবার আমরা তফসিল ঘোষণা করব। এর আগে বাফুফে আমাদের ভোটার তালিকা হস্তান্তর করবে।’ এসময় চলমান করোনা পরিস্থিতি নিয়ে মেজবাহ বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতি নিয়েও আমরা আলোচনা করেছি।

সভা-সমাবেশ সীমিত করা হয়েছে এরই মধ্যে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাফুফে নির্বাচনের ভোটের স্থান নির্বাহী কমিটিই ঠিক করবে, পাশাপাশি পরিস্থিতি নাজুক হলে পরবর্তী করণীয় কী হবে, সেটাও তারা নির্ধারণ করবে। নির্বাচন কমিশন এর মধ্যে হস্তক্ষেপ করবে না।’ বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘বাফুফে ভবনেই নির্বাচন করার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। তবে প্রয়োজন হলে আমরা ভেন্যু পরিবর্তন করতে পারি।’ ইতোমধ্যে বাফুফের দুই সভাপতি প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদ মহী ও বাদল রায় নির্বাচন পেছানোর আবেদন জানিয়েছেন। সেই প্রেক্ষিতে বাফুফে সাধারণ সম্পাদক বলেছিলেন তারা ফিফা-এএফসির সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।

সেই অগ্রগতি সম্পর্কে বাফুফে সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সভাপতি এই ব্যাপারে অবহিত করবেন সামনে।’ ৩০ মার্চের মধ্যে বাফুফে তাদের অধিভুক্ত সংস্থাগুলোকে কাউন্সিলরের নাম পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। আর গঠনতন্ত্রের নিয়ম অনুযায়ী সংস্থাগুলোকে নির্বাহী কমিটির সভার মাধ্যমে কাউন্সিলরের নাম চূড়ান্ত করতে হয়। সেক্ষেত্রে সভায় প্রায় ১৫-২০ জন লোকের উপস্থিতি হয়, যাতে করোনা ভাইরাস ছড়ানোর ঝুঁকি থাকে। এ নিয়ে সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। দরকার হলে দু-এক দিন সময় বাড়িয়ে দেওয়া যাবে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সংস্থা চাইলে টেলিকনফারেন্স বা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তাদের প্রয়োজনীয় সভা করতে পারে।’

আজকের প্রশ্ন

বিএনপির নেতারা আইন না বুঝেই মন্তব্য করে আইনমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে আপনি কি একমত?