শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১১:৩৪:২৪

দোহার পৌরসভায় ১৯ বছর পর ভোটের হাওয়া: নির্বাচন ১৪ অক্টোবর

দোহার পৌরসভায় ১৯ বছর পর ভোটের হাওয়া: নির্বাচন ১৪ অক্টোবর

অবশেষে ঢাকার দোহারের বহুল আলোচিত ‘দোহার পৌরসভা’ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৪ অক্টোবর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দোহার উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি পৌরসভা নিয়ে দায়েরকৃত মামলাগুলো বাদীরা তুলে নেয়ায় ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার আদেশ দেন উচ্চ আদালত। বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর গঠিত বেঞ্চের দেয়া আদেশের কপি গত ৫ আগস্ট উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার হাতে পৌঁছায়।

এরপরই নির্বাচন কমিশন ১৪ অক্টোবর পৌরসভায় ভোট গ্রহণের দিন নির্ধারণ করেন। এই নির্বাচনে জেলার সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ফয়সাল কাদের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলাম সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন। তফসিল অনুসারে ১২ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন। ১৫ সেপ্টেম্বর যাচাই-বাছাই। ২০ সেপ্টেম্বর প্রত্যাহার। আর ২১ সেপ্টেম্বর প্রতীক বরাদ্দ। জয়পাড়া, রাইপাড়া, সুতারপাড়া ও মাহমুদপুর ইউনিয়নের আংশিক অংশ নিয়ে গঠিত পৌরসভাটিতে প্রথম নির্বাচন হয় ২০০০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর। এরপর সীমানা জটিলতা ও ভোটার তালিকা নিয়ে বেশ কয়েকটি মামলা হওয়ায় ১৯ বছর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। পৌরসভায় বর্তমান ভোটার সংখ্যা প্রায় ৫৪ হাজার।

এদিকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষিত হওয়ায় সম্ভাব্য মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের নিয়ে পৌরবাসীর মধ্যে আলোচনা-পর্যালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও চলছে আলোচনার ঝড়। ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা নির্বাচনী মাঠে নেমে পড়েছেন। নির্বাচন সামনে রেখে সরব হয়ে উঠেছেন দলটির নেতাকর্মীরা। তাদের মতে, দোহারের পৌরবাসী হারানো ভোটের অধিকার ফিরে পেয়েছে। পৌরসভার উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে এই নির্বাচন মাইল ফলক হিসেবে কাজ করবে।’
এদিকে পৌরসভার বর্তমান মেয়র আলহাজ আবদুর রহিম মিয়া জানিয়েছেন, বয়স হয়ে গেছে তাই তিনি নির্বাচন করবেন না। দল যাকে মনোনয়ন দেবে তার পক্ষেই তিনি কাজ করবেন। নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির কয়েকজন নেতা মেয়র প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ভেতরে ভেতরে তারা কাজও শুরু করে দিয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা বিএনপির কয়েকজন নেতা বলেন, ‘নেতাকর্মীরা নির্বাচনে অংশ নিতে প্রস্তুত। দল সিদ্ধান্ত নিলে আমরা নির্বাচনে অংশ নেব।’ দোহার উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ জটিলতার অবসান ঘটিয়ে ১৯ বছর পর দোহার পৌরসভায় নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এ কারণেই এই নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন করতে চাই। তবে এক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?