বুধবার, ১২ মে ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২১, ১০:৪৮:০৫

মাছ ও কাঁচা বাজারে ব্যবসায়ীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ, ১৫ ব্যবসায়ী আহত

মাছ ও কাঁচা বাজারে ব্যবসায়ীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ, ১৫ ব্যবসায়ী আহত

বরগুনা : লকডাউনের অজুহাতে মাছ ও কাঁচা বাজারের ব্যবসায়ীদের ওপর পুলিশের অতর্কিত লাঠিচার্জে ১৫ ব্যবসায়ী আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পুলিশের অতর্কিত হামলার প্রতিবাদে ব্যবসায়ীরা সড়কে বিক্ষোভ করেছে। ঘটনা ঘটেছে আমতলী পৌর শহরের বাঁধঘাট মাছ ও কাঁচা বাজারে বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে।

আমতলী থানার এসআই আব্দুল মান্নান ব্যবসায়ীদের ওপর লাঠিচার্জের কথা অস্বীকার করে বলেন, লকডাউনে নিয়ম মেনে ব্যবসা করতে বলায় ব্যবসায়ীরা পুলিশের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছে। তাই নিয়ম মানাতে ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি দেখিয়েছি।

জানা গেছে, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস প্রতিবোধে সরকার ৭ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছে। মাছ ও কাঁচা বাজার সকাল ৯টা থেকে ৩টা পর্যন্ত খোলা রাখার নির্দেশনা রয়েছে। ওই নির্দেশনা অনুসারে বুধবার আমতলী পৌর শহরের মাছ ও কাঁচা বাজার ব্যবসায়ীরা দোকান খুলে বসে।

বাঁধঘাট মাছ ও কাঁচা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মঞ্জু মিয়া দাবি করেন, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আমতলী থানার এসআই আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বে দুই পুলিশ সদস্য বাজারের ব্যবসায়ীদের ওপর অতর্কিত লাঠিচার্জ শুরু করেন। এ সময় বাজারে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ওই বাজারের ব্যবসায়ী রাজা মিয়া ও বাতেনের দাবি, মানুষ হুড়োহুড়ি করে পুলিশের হামলা থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করে। এতে ওই পুলিশ আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ব্যবসায়ীদের ওপর চড়াও হয়। এক পর্যায় ব্যবসায়ীরা পুলিশের লাঠিচার্জ থেকে রক্ষায় সড়কে নেমে বিক্ষোভ শুরু করে। পরে পুলিশ শান্ত হয়। পুলিশের হামলায় অন্তত ১৫ জন ব্যবসায়ী আহত হয়েছে।

কাঁচার বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. মাহবুবুর রহমান হিমু গাজী ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নিয়ম মেনেই কাঁচা ও মাছ বাজার ব্যবসায়ীরা দোকান খুলেছে। কিন্তু পুলিশের এসআই আব্দুল মান্নান ও তার সহযোগীরা ব্যবসায়ীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। এতে অনেক ব্যবসায়ী আহত হয়েছে। আমি এ ঘটনার বিচার দাবি করছি।

আমতলী থানার ওসি মো. শাহ আলম হাওলাদার বলেন, লকডাউনে দোকান খোলা নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল, তা সমাধান হয়েছে।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল গিয়ে ব্যবসায়ীদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সরকারি নির্দেশনা মেনে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। তিনি আরও বলেন, পুলিশের সঙ্গে অপ্রীতিকর ঘটনায় উভয়পক্ষকে শান্ত করা হয়েছে।

আজকের প্রশ্ন

পুরো ঢাকায় ‘অঘোষিত কারফিউ’ চলছে। সরকার জনগণকে জিম্মি করে জনগণকে বাদ দিয়ে বিদেশি অতিথিদের নিয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে ব্যস্ত। ফখরুলের এক মন্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?