সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ,২০২০

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৩:৩২:৫৫

হেফাজতে মৃত্যু: ক্ষতিপূরণ দিল এসআই জাহিদের পরিবার

হেফাজতে মৃত্যু: ক্ষতিপূরণ দিল এসআই জাহিদের পরিবার

ঢাকা : তুচ্ছ ঘটনায় থানায় নিয়ে জনি নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি পল্লবী থানার সাবেক উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহিদুর রহমান জাহিদের পক্ষে ক্ষতিপূরণের দুই লাখ টাকা জমা দিয়েছে তার পরিবার। এ ক্ষতিপূরণের টাকা মামলার বাদী পাবেন।

আজ বুধবার (১৬ সেপ্টম্বর) এসআই জাহিদের আইনজীবী ফারুক আহম্মেদ মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের অনুমতি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে এ টাকা জমা দেন।

আইনজীবী ফারুক আহম্মেদ বলেন, আমরা আদালতের নির্দেশে ক্ষতিপূরণের ২ লাখ টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিয়েছি। আমরা এখন যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করবো।

এর আগে ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ মামলায় পল্লবী থানার সাবেক এসআই জাহিদুর রহমান জাহিদসহ তিন পুলিশ সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন। এছাড়া মামলার অপর দুই আসামির সাত বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনের এটি প্রথম রায়।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন- পল্লবী থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) রাশেদুল ও এএসআই কামরুজ্জামান মিন্টু। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। এছাড়া তিন পুলিশ সদস্যের প্রত্যেককে ১৪ দিনের মধ্যে বাদীকে দুই লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সাত বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সোর্স সুমন ও রাশেদ। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাদের ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।

মামলার আসামিদের মধ্যে এসআই জাহিদুর রহমান জাহিদ ও পুলিশের সোর্স সুমন কারাগারে। একই থানার এএসআই রাশেদুল ইসলাম জামিনে এবং এএসআই কামরুজ্জামান মিন্টু ও পুলিশের সোর্স রাসেল জামিনে নিয়ে পলাতক।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুর-১১ নম্বর সেক্টরে স্থানীয় সাদেকের ছেলের গায়ে হলুদ অনুষ্ঠান চলাকালে পুলিশের সোর্স সুমন মেয়েদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন। এ সময় জনি ও তার ভাই সুমনকে চলে যেতে বলেন। সুমন চলে গেলেও পরদিন এসে আবার আগের মতো আচরণ করতে থাকেন। তখন জনি ও তার ভাই তাকে চলে যেতে বললে সুমন পু্লিশকে ফোন করে তাদের ধরে নিয়ে যান। তাদের নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকার লোকজন ধাওয়া দিলে পুলিশ গুলি ছোড়ে।

পরে থানায় নিয়ে জনিকে নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে জনির অবস্থা খারাপ হলে ন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে অবস্থা আরও খারাপ হওয়ায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এই বিভাগের আরও খবর

  ফেলে যাওয়া সাড়ে ১৪ লাখ টাকা ফেরত দিলেন অটোরিকশা চালক

  তলা ফেটে পদ্মার চরে লঞ্চের জরুরি নোঙর, নিরাপদে যাত্রীরা

  ড. কামাল ও আসিফ নজরুল ঢাবি এলাকায় অবা‌ঞ্ছিত : সন‌জিত

  নুরকে ঢাবিতে অবাঞ্ছিত ঘোষণা ছাত্রলীগের

  প্রধানমন্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালো ভারত ও চীন

  প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে আরো বেশি সহযোগিতামূলক সম্পর্ক প্রয়োজন : প্রধানমন্ত্রী

  সৌদিতে শিডিউল ফ্লাইটের অনুমতি পেয়েছে বিমান

  অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আর নেই

  বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, বিপৎসীমার ওপরে আরও ৩ নদী

  ব্যাংকের ভল্টের টাকা লুটের চেষ্টা, বাধা দেয়ায় নৈশ প্রহরীকে হত্যা

  খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে সমন্বিত প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশ কৃষিমন্ত্রীর

আজকের প্রশ্ন

বিএনপির নেতারা আইন না বুঝেই মন্তব্য করে আইনমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে আপনি কি একমত?