সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ,২০২০

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৫:০৭:১০

লঞ্চে তরুণীকে হত্যা; প্রেমিকের সঙ্গে বরিশাল আসছিলো লাবনী

লঞ্চে তরুণীকে হত্যা; প্রেমিকের সঙ্গে বরিশাল আসছিলো লাবনী

বরিশাল : ঢাকা থেকে বরিশালগামী এমভি পারাবত-১১ লঞ্চের কেবিনে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার শিকার হয়েছে এক নারী। ওই নারীর মরদেহের পরিচয় মেলার পর পরিবারের সদস্য বাবা ও ভাইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বরিশাল সদর নৌ থানার এসআই অলক চৌধুরী বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বরিশাল মর্গে ময়না তদন্ত শেষে ওই নারীর মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে নৌ পুলিশ।

নৌ পুলিশ সূত্র জানায়, নিহত নারীর নাম জান্নাতুল ফেরদৌস লাবনী (২৯)। তার বাবার নাম আব্দুল লতিফ মিয়া। দুই ছেলের জননী লাবনীর স্বামী একজন ইলেক্ট্রিশিয়ান। বাবা আব্দুল লতিফ মিয়া ও মা মমতাজ চোধুরীর সঙ্গে ঢাকার পল্লবী-২ নম্বর এলাকার বাসায় থাকতেন। তাদের গ্রামের বাড়ি ভাঙ্গা এলাকায়। লাবনী উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিলো। এক ভাই তিন বোনের মধ্যে লাবনী সবার ছোট।

চাকুরি পাওয়ার প্রলোভনে সোমবার ঢাকার সদরঘাট থেকে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে লঞ্চযোগে বরিশাল আসছিলো লাবনী। ওই দিন রাত ৯টা পর্যন্ত লাবনীর সঙ্গে ফোনে কথা হয় তার বাবার। পরদিন সোমবার সকালে লঞ্চের ৩৯১ নং কেবিন থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ওই নারীকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিআইডি’র ক্রাইম সিন ইউনিটের পরিদর্শক আল মামুনুর রশিদ। তবে তার সঙ্গে থাকা ওড়না ও ব্যাগসহ অন্যান্য আলামত নিয়ে যাওয়ায় পুলিশ তাৎক্ষণিক ওই নারীর পরিচয় উদঘাটন করতে পারেনি।

শেষ পর্যন্ত আংগুলের ছাপ অনুযায়ী তার পরিচয় উদঘাটন করে পুলিশ। সে অনুযায়ী তার স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে বরিশাল মর্গের হিমঘরে ওই নারীর মরদেহ শনাক্ত করে তার বাবা আব্দুল লতিফ এবং ভাই মোক্তার মিয়া।

এরআগে রবিবার মর্গে ওই নারীর লাশের ময়না তদন্ত সম্পন্ন হয়। এ ঘটনায় ওইদিনই নৌ থানার উপ-পরিদর্শক অলক চৌধুরী বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সদর নৌ থানার ওসি আবদুল্লাহ-আল মামুনকে।

তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক আবদুল্লাহ-আল মামুন বলেন, স্বজনরা শনাক্ত করার পর ওই নারীর মরদেহ তার পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলার তদন্ত চলছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। অভিযুক্ত ঘাতককে শনাক্ত করতে পারলেও তদন্তের স্বার্থে তার পরিচয় প্রকাশে অপারগতা প্রকাশ করেন পুলিশ পরিদর্শক আবদুল্লাহ-আল মামুন।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপির নেতারা আইন না বুঝেই মন্তব্য করে আইনমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে আপনি কি একমত?