বুধবার, ২৫ নভেম্বর ,২০২০

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২০, ০৮:৫১:১৮

এবার টাঙ্গাইলে কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ করে দলবেঁধে ধর্ষণ

এবার টাঙ্গাইলে কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ করে দলবেঁধে ধর্ষণ

টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইলের গোপালপুরে একজন কলেজ ছাত্রীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অ‌ভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে ওই ছাত্রী টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে উপজেলার কাগুজীআটা গ্রামের চরের একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে এই ঘটনায় পাঁচ জন জড়িত বলে জানান ভুক্তভোগী।

অভিযুক্তরা হলেন- উপজেলার কাগুজীআটা গ্রামের সালামের ছেলে শফিকুল (২৫), আব্দুর রশিদের ছেলে এনামুল (২৮), মুনছুর আলীর ছেলে জালাল (৩৮), আব্দুল খালেক (৪২), শুক্কুর আলীর ছেলে আলতাব হোসেন (৪২)।

নির্যাতনের শিকার ওই ছাত্রী বলেন, তিনি একটি কলেজের একাদশ শ্রেণিতে পড়াশুনা। তার বাবা নেই। হতদরিদ্র পরিবারে মা’ই একমাত্র সদস্য। কঠিন সংগ্রাম করেই তাদের জীবন চালাতে হয়। পরিবারের আর কোন সদস্য না থাকায় দৈনন্দিন বাজার সদাই করতে হয় তাকেই। গতকাল সন্ধ্যায় গোপালপুরের মোমিনপুর বাজার থেকে বাজার করে ফেরার পথে অপহরণের শিকার হোন ছাত্রীটি।

তিনি আরও বলেন, এরপর মুখবেঁধে নৌকায় তুলে নিয়ে যায় সাইফুল, এনামুল, খালেক, জালাল ও আলতাফ। পরে কাগুজীআটার গ্রামের এক পরিত্যাক্ত বাড়িতে হাত মুখ বেঁধে রাতভর পাশবিক নির্যাতন চালায় তারা। বাঁধা দেয়ায় চালানো হয় শারীকি নির্যাতন। নির্যাতনে অসুস্থ্য হয়ে পড়লে ভোরের দিকে নদীর পাড়ে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় বখাটেরা। অসুস্থ্য অবস্থায় বাড়ি ফিরে বিষয়টি তার মাকে জানায়। তিনি এ ঘটনার জন্য সকলের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন।

এ বিষয়ে মেয়েটির নানা বলেন, রাতে মেয়েটি বাড়ী ফিরে না আসায় ও ফোন বন্ধ থাকায় অনেক খোঁজাখুঁজি করা হয়। পরে সকালে এমন অবস্থায় পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে এসে ভর্তি করেছি। তাৎক্ষণিক গোপালপুর থানা পুলিশকে অবহিত করলেও তারা ব্যবস্থা নেয়নি। পরে জেলা পুলিশের সর্বোচ্চ ব্যক্তিরা হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে সব ধরণের সহযোগীতার আশ্বাস দিয়েছেন।

মেয়েটির মা জানান, এর আগে মেয়েটিকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিলো বখাটে সাইফুল। তা বারবার প্রত্যাখ্যান করায় প্রতিনিয়ত দেয়া হতো হুমকি। বখাটেরা প্রভাবশালী হওয়ায় কোন প্রতিকার পান নি।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডা. কামরুজ্জামান বলেন, মেয়েটির শরীরে বিভিন্ন স্থানে আঘাতের আলামত রয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার পর বিস্তারিত জানা যাবে।

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়েই পুলিশি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভিকটিম ও তার পরিবারকে সব ধরণের আইনগত ও মানবিক সহায়তা দেয়া হবে। অপরাধীরা যতোই প্রভাবশালী হোক না কেন দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

এদিকে নারী নির্যাতনের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত এলাবাসী ও সচেতন মহল। তাই জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন তারা।

এই বিভাগের আরও খবর

  ঢাকায় এলো ‘ধ্রুবতারা’, বহরে এখন ১৯ উড়োজাহাজ

  মহিলা সমিতিগুলোকে ১১কোটি টাকা অনুদান দিল মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়

  ঢাকার ধুলা দূরের কত দূর, জানতে চাইল হাইকোর্ট

  ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন ফরিদুল হক খান

  হিউম্যান ট্রায়ালে যেতে পারেনি গ্লোবের ‘ব্যানকোভিড’, নেই অগ্রগতিও

  ভারতীয় উপকূলে ঘূর্ণিঝড় ‘নিভার’, প্রভাব বাংলাদেশেও

  বাংলাদেশে করোনায় আরও ৩২ জনের ম্রত্যু, নতুন শনাক্ত ২২৩০

  ১০ম গ্রেডে উন্নীত হচ্ছে ইউপি সচিবদের বেতন

  বিবিসির ১০০ নারীর তালিকায় ঠাঁই পেলেন যে দুজন বাংলাদেশি

  উত্তরাঞ্চলসহ সারা দেশে শীতের তীব্রতা বাড়ছে

  মহাখালীর সাততলা বস্তিতে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১২টি ইউনিট

আজকের প্রশ্ন

বিএনপির নেতারা আইন না বুঝেই মন্তব্য করে আইনমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে আপনি কি একমত?