সোমবার, ২১ জুন ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ০৯ জুন, ২০২১, ০৫:০৩:৪৪

নিখিলের সঙ্গে আমি সহবাস করেছি, বিয়ে নয়: নুসরাত

নিখিলের সঙ্গে আমি সহবাস করেছি, বিয়ে নয়: নুসরাত

বিনোদন ডেস্ক : গত কয়েক দিন ধরে নুসরাত জাহানের মা হওয়ার খবরে চাঞ্চল্য টলিপাড়ায়। আগত সন্তানের পিতৃপরিচয় কী সেই প্রশ্নই এখন লোকমুখে। নিখিল জৈন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন এই সন্তানের পিতা তিনি নন। গত ছয় মাস ধরে তিনি এবং নুসরাত আলাদা থাকছেন। নুসরতের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ দিন কোন যোগাযোগ নেই আর থাকবেও না।

ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন নুসরাত ও নিখিল । ধর্ম আলাদা, কিন্তু সেই বিভেদ বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি এই জুটির প্রেম কাহিনিতে। এরপর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শুরু করেই তুরস্কের বোদরুমে রূপকথার বিয়ে সেরেছিল এই জুটি। তবে বছর যেতে না যেতেই স্বপ্নের বিয়ের এমন পরিণতি হবে! কে জানতো? আগামী ১৯ জুন নুসরাত-নিখিলের বিয়ের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি।

তবে ছাড়খাড় হয়ে গেছে তাঁদের সংসার। চলতি বছরের শুরু থেকেই নিখিলের সঙ্গে নুসরাতের দাম্পত্য বিচ্ছেদের পশাপাশি যশ দাশগুপ্তের সঙ্গে নায়িকার প্রেমের গুঞ্জন শোনা গেছে। সেই গুঞ্জন সম্প্রতি আরও একধাপ এগিয়ে গিয়েছে। গত সপ্তাহেই প্রকাশ্যে আসে মা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নুসরত, কোনও কোনও সূত্রে এমনটাও দাবি করেন নুসরত ইতিমধ্যেই অন্তঃসত্ত্বা।

নিখিলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের নিরিখে অবশেষে মুখ খুললেন নুসরাত। তুরস্কে বিয়ে হয়েছিল তাঁদের। সেই প্রসঙ্গ টেনে নুসরাত জানালেন, তুরস্কের বিবাহ আইন অনুসারে এই অনুষ্ঠান অবৈধ। উপরন্তু হিন্দু-মুসলিম বিবাহের ক্ষেত্রে বিশেষ বিবাহ আইন অনুসারে বিয়ে করা উচিত। যা এ ক্ষেত্রে মানা হয়নি। ফলত, এটা বিয়েই নয়। বুধবার একটি বিবৃতি প্রকাশ করে নিজের যুক্তি প্রকাশ্যে আনলেন অভিনেত্রী ও সাংসদ নুসরাত জাহান। তিনি বললেন, ‘নিখিলের সঙ্গে আমি সহবাস করেছি। বিয়ে নয়। ফলে বিবাহ-বিচ্ছেদের প্রশ্নই ওঠে না’।

অর্থনৈতিকভাবে ভার বহন করা নিয়ে অভিনেত্রী বলেছেন, “আমি আমার নিজের যাবতীয় খরচ নিজে চালাই, অন্য কেউ আমার খরচ বহন করে এই কথা সত্য নয়। এমনকি আমি আমার পরিবার এবং আমার বোনের পড়াশোনার খরচ নিজেই চালাই। আমার প্রয়োজন পড়ে না অন্য কারো ক্রেডিট কার্ড আমার কাছে রেখে দেওয়ার। সময় এলে এর যোগ্য প্রমান আমি দেব।”

মা হবেন নুসরাত। অনাগত সন্তানের পিতৃপরিচয় কী? গত ৫ দিন ধরে অভিনেত্রী এবং সাংসদ নুসরাত জাহানকে নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। শুধু তাই নয়, নিখিলের সঙ্গে তাঁর বিবাহ বিচ্ছেদ হচ্ছে না কেন, এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে চার দিক থেকে। এমনকি লেখিকা তসলিমা নাসরিনও নুসরাতের নীরবতা নিয়ে কথা বলেছিলেন নেটমাধ্যমে। লিখেছিলেন, ‘…এই যদি পরিস্থিতি হয়, তবে নিখিল আর নুসরাতের ডিভোর্স হয়ে যাওয়াই কি ভালো নয়? অচল কোনও সম্পর্ক বাদুড়ের মতো ঝুলিয়ে রাখার কোনও মানে হয় না। এতে দু’পক্ষেরই অস্বস্তি’।

দু’দিন আগে নিখিল জানিয়েছিলেন, নুসরাতের বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা দায়ের করেছেন তিনি। নিখিলের কথায়, ‘‘যে দিন জানলাম, নুসরাত আমার সঙ্গে থাকতে চায় না, অন্য কারও সঙ্গে থাকতে চায়, সে দিনই দেওয়ানি মামলা দায়ের করেছি আমি। নুসরাতের মা হওয়ার পরে এই সিদ্ধান্ত নিইনি আমি।’’ এমনকি আগামী জুলাই মাসে যে আদালতে এই মামলার শুনানি, নিখিল সে কথাও স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন। বিবৃতি জারি করেই বুধবার নিজের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে নুসরাত লিখেছেন, ‘যে নারী সব শুনেও নীরব থাকেন, এ রকম পরিচয়ে পরিচিত হব না আমি’। তাঁর বিরুদ্ধে উঠে আসা অসংখ্য বিরোধী স্বরের মুখোমুখি হলেন নায়িকা।

আজকের প্রশ্ন

পুরো ঢাকায় ‘অঘোষিত কারফিউ’ চলছে। সরকার জনগণকে জিম্মি করে জনগণকে বাদ দিয়ে বিদেশি অতিথিদের নিয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে ব্যস্ত। ফখরুলের এক মন্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?