বুধবার, ১২ মে ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২১, ০৫:৩৩:২৪

বিশেষ প্রয়োজনে ব্যাংক চালু রাখতে গভর্নরকে চিঠি

বিশেষ প্রয়োজনে ব্যাংক চালু রাখতে গভর্নরকে চিঠি

ঢাকা: বিশেষ প্রয়োজনে ব্যাংক চালু রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে চিঠি দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) মাঠ প্রশাসন অধিশাখার উপ সচিব রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

‘বিশেষ প্রয়োজনে ব্যাংকিং সেবা প্রদান’ সংক্রান্ত এ চিঠিতে বলা হয়, ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারির জন্য আদেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠির অনুলিপি প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব, অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব ও মন্ত্রিপরিষদ সচিবের একান্ত সচিবের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

জানতে চাইলে রেজাউল ইসলাম বলেন, বিশেষ প্রয়োজনে ব্যাংক চালু রাখতে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছিল, ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল ব্যাংক বন্ধ থাকবে। তবে বন্দর এলাকার ব্যাংক খোলা রাখা যাবে।

এদিকে ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া ৭ দিনের বিধিনিষেধে বন্ধ থাকবে সব সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক। এ খবরে মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) ব্যাংকগু‌লোতে টাকা তোলার হি‌ড়িক লেগে যায়। মতিঝিল এলাকার প্রায় সব ব্যাংকেই গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।

রাজধানীর ব্যাংকপাড়া মতিঝিল, দিলকুশা, দৈনিক বাংলা, পল্টনসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ ব্যাংকের শাখায় ভিড় করেছেন বিপুল সংখ্যক গ্রাহক। ব্যাংকাররা বলছেন, সাত দিন ব‌ন্ধের খবরে আজ‌ স্বাভাবিক দি‌নের তুলনায় গ্রাহ‌কের চাপ অনেক বেশি। তবে টাকা জমা দেওয়ার চেয়ে উত্তোলন বেশি করছেন গ্রাহকরা।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ জারি করেছে সরকার। এ সময় জরুরি সেবা দেওয়া প্রতিষ্ঠান ছাড়া বন্ধ থাকবে সবকিছু। এই সাত দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংকসহ দেশের সব আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এ অবস্থায় বন্ধের আগের দিন মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ১০টা থে‌কে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ব্যাংকে লেনদেন হয়েছে। লেনদেন-পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষ করার জন্য ব্যাংক খোলা থাকবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

আজকের প্রশ্ন

পুরো ঢাকায় ‘অঘোষিত কারফিউ’ চলছে। সরকার জনগণকে জিম্মি করে জনগণকে বাদ দিয়ে বিদেশি অতিথিদের নিয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে ব্যস্ত। ফখরুলের এক মন্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?