বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ২১ জুন, ২০২১, ০৬:০৭:২৮

সবজি ও ফল খেলে টেনশন কমে

সবজি ও ফল খেলে টেনশন কমে

স্বাস্থ্য ডেস্ক : যারা সবজি ও ফল কম খান তারা অল্প কিছুতেই টেনশন করেন। অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েন। সম্প্রতি বিজ্ঞান বিষয়ক সাময়িকী ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব এনভায়রনমেন্টার রিসার্চ অ্যান্ড পাবলিক হেলথের এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বলা হয়েছে, বাড়তি উদ্বেগ, অবসাদগ্রস্ততা ও বিভিন্ন ধরনের মানসিক রোগ থেকে সুরক্ষিত থাকতে সবজি ও ফল খাওয়ার বিকল্প নেই। কারণ সবজি ও ফলে ভিটামিন, পটাশিয়ামসহ আরও নানা উপকারী উপাদান রয়েছে।

গবেষণাটি পরিচালনা করেছে নর্থ আমেরিকান প্রাইমারি কেয়ার রিসার্চ গ্রুপ। তারা বলছে, অল্পবয়সে যারা শাকসবজি ও ফল খেতে অনীহা দেখান, মধ্যবয়সে তাদের অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডার ও বিষণ্নতায় ভোগার ঝুঁকি রয়েছে ২৪ শতাংশ। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসকরা সেই কারণে প্রায়ই শাকসবজি খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

গত ৯ বছরে মোট ২০৬৯ জনের ওপর সমীক্ষা চালিয়ে গবেষকরা বলেন, দিন যত গড়াচ্ছে শাকসবজি ও ফলের জায়গা দখল করে নিচ্ছে বাইরের খাবার। এর মাধ্যমে মানুষের শরীরে বাসা বাঁধছে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক বা মানসিক রোগ। বিশেষ করে শাকসবজি ও ফল না খাওয়ার কারণে অনেকেই অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন। ২০১৩ সালে গ্লোবাল বার্ডেন অব ডিজিজের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রাণঘাতী বিভিন্ন রোগের মধ্যে হৃদরোগের পরেই রয়েছে মানসিক রোগ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য সব বয়সের মানুষের শাকসবজি ও ফল খাওয়া জরুরি। কারণ নিয়মিত এগুলো খেলে বিভিন্ন রোগ-ব্যাধি থেকে সুরক্ষিত থাকা যায়। পক্ষান্তরে বাইরের খাবার খেলে শরীর ও মনের বিভিন্ন রোগ হতে পারে। এর মধ্যে বাড়তি উদ্বেগ ও অবসাদগ্রস্ততাও রয়েছে।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ সবজি ও ফল খাওয়ার অভ্যাস করলে বাড়তি উদ্বেগ ও অবসাদগ্রস্ততা হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। সেই কারণে সবার উচিত এগুলো খাওয়ার অভ্যাস করা।

আজকের প্রশ্ন

পুরো ঢাকায় ‘অঘোষিত কারফিউ’ চলছে। সরকার জনগণকে জিম্মি করে জনগণকে বাদ দিয়ে বিদেশি অতিথিদের নিয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে ব্যস্ত। ফখরুলের এক মন্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?