সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ,২০২০

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১০:২১:৪৮

শরীরের ক্লান্তি দূর করতে যে খাবারগুলোর বিকল্প নেই

শরীরের ক্লান্তি দূর করতে যে খাবারগুলোর বিকল্প নেই

স্বাস্থ্য ডেস্ক : অনেকে বলেন মন ভালো থাকলে, শরীর সুস্থ থাকে। কিন্তু কোনও কারণে যদি মন খারাপ হয় তাহলে তার প্রভাব পড়ে শরীরের উপরেও। যেকোনো চাপ শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

বর্তমানে দিন যতোই যাচ্ছে দেখা যাচ্ছে মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তির পরিমাণ ততই বেড়ে চলেছে। কিন্তু যে হারে বাড়ছে মানসিক রোগী, সে হারে নেই সচেতনতা। খাবারের ব্যাপারে বেশ সচেতন হয়েও অনেকে অল্প কাজ করলেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন। আর কাজ করতে করতে ক্লান্ত লাগাটাই স্বাভাবিক। কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো নিয়মিত খেলে ক্লান্তিভাব অনেকটাই দূর হয়। যা ক্লান্তি দূর করার পাশাপাশি শরীরকে সুস্থও রাখবে।

পানি
পানি শরীরকে কর্মক্ষম রাখে। শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ও বিভিন্ন স্থানে খাদ্য উপাদান পরিবহন করে। শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিলে ভারসাম্যহীনতা ও দুর্বলতা দেখা দেয়। তাই সুস্থতার জন্য পানি একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান।

ডার্ক চকোলেট
চকোলেট দ্রুত শক্তি বাড়ায় এবং মেজাজ ভালো করে। এর মধ্যে রয়েছে থিব্রোমিন ও ট্রিপটোফেন। মস্তিষ্কে ভালো অনুভূতির হরমোন তৈরির মাধ্যমে এটি মনকে শিথিল করতে সাহায্য করে।

মধু
মধুতে গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজ আছে যা শরীরে শক্তি যোগায় এবং ক্লান্তি দূর করে। এর অন্যান্য উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

চা বা কফি
শরীরকে চাঙা করতে চা বা কফি বিশেষ সহায়ক। এটি হৃৎযন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়ায়, শ্বাস-প্রশ্বাসের হার বাড়ায় এবং শরীরকে উদ্দীপ্ত রাখে। তবে চা বা কফি বেশি পান করলে রাত্রে নিদ্রাহীনতা দেখা দিতে পারে।

দই
দই এ প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেট থাকে যা এনার্জির ঘাটতি পূরণ করার সবচেয়ে জরুরি উপাদান। তাই প্রতিদিন ১ কাপ দই খান। ক্লান্তি আসবে না শরীরে।

বাদাম
ক্লান্ত লাগলে এক মুঠো বাদাম খাওয়া দ্রুত শক্তি জোগাতে ভালো কাজ করে। এর মধ্যে রয়েছে প্রোটিন, আঁশ, ভালো চর্বি, মিনারেল (যেমন : ম্যাগনেসিয়াম, ফোলেট) ইত্যাদি। শক্তি বাড়াতে এবং কোষ তৈরিতে বাদাম বেশ উপকারী।

ডিম
ডিম এর মধ্যে রয়েছে প্রোটিন এবং প্রয়োজনীয় এমাইনো এসিড। এ ছাড়া এতে রয়েছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন ডি। এটি শক্তি বাড়াতে সহায়ক। ক্লান্তি দূর করতে ডিম খেতে পারেন।

ওটমিল
ওটমিলে কার্বোহাইড্রেট ছাড়াও প্রোটিন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস এবং ভিটামিন বি ১-এর মতো উপাদান থাকে যা শরীরের এনার্জির ঘাটতি হতে দেয় না। তাই সকালের নাস্তায় ওটমিলের সঙ্গে ফল মিশিয়ে খেয়ে নিন। এনার্জি পাবেন দিনভর।

কলা
কলাতে থাকে পটাসিয়াম, পাশাপাশি ভিটামিন বি, সি, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ফাইবার এবং কার্বোহাইড্রেট দেহে পুষ্টির ঘাটতি পূরণ করে। প্রতিদিন সকালে একটি হলেও কলা খাওয়ার চেষ্টা করুন।

শরীর যখন ক্লান্ত থাকে তখন পেশীতে ব্যথা, প্রেরণার অভাব, মনোযোগের সমস্যা, ক্ষুধামন্দাসহ আরও সমস্যা দেখা দেয়। যা প্রতিদিনের জীবনযাপনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অতএব অস্বাস্থ্যকর খাবার বর্জন করতে হবে। শারীরিক ও মানসিক চাপকে নিজেই ব্যালেন্স করতে হবে। কেননা সময় থাকতে জীবনকে উপভোগ করুন।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপির নেতারা আইন না বুঝেই মন্তব্য করে আইনমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে আপনি কি একমত?