বুধবার, ১২ মে ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ০৪ মে, ২০২১, ১১:০৩:০৬

নির্বাচনে জয়, খবর পেয়েই বিয়ে ছেড়ে গণনা কেন্দ্রে কনে!

নির্বাচনে জয়, খবর পেয়েই বিয়ে ছেড়ে গণনা কেন্দ্রে কনে!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ‘বউ পালাল জানলা দিয়ে…।’ টুম্পা গানের এই লাইন এখন সকলের চেনা। উত্তরপ্রদেশে বাস্তবে খানিকটা সেই দৃশ্যই যেন ধরা পড়ল।

বিয়ের রাতে মণ্ডপ ছেড়ে ‘পালালেন’ কনে! তবে কোনও প্রেমঘটিত কারণ কিংবা বিয়েতে অনিচ্ছার জন্য নয়। জয়ের সার্টিফিকেট নিতে দৌড় দিলেন কনে!

হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন। এমনই অবাক করা ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের রামপুরের মহম্মদপুর জাদিদ গ্রামে। বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাবেন, ঠিক এমন সময় পাত্রী পুনম শর্মা জানতে পারেন, ক্ষেত্র পঞ্চায়েত ভোটে তিনি জয়ী হয়েছেন। জয়ী হিসেবে সার্টিফিকেট পাবেন তিনি।

বাঁধ ভাঙা আনন্দে পুনম তখন ভুলেই গিয়েছেন নিজের বিয়ের কথা। থাক পড়ে মণ্ডপ, অপেক্ষা করুক বর। বিয়ের লেহঙ্গা পরেই কনের বেশে সোজা গণানা কেন্দ্রে পৌঁছে গেলেন তিনি। জয়ের শংসাপত্রের থেকে তখন তাঁর কাছে মূল্যবান যেন আর কিছুই নয়।

রবিবার বিয়ে আসর বসেছিল পুনমের। কিন্তু তার আগেই তিনি ধরেছিলেন, পঞ্চায়েত ভোটে তাঁর জেতার কোনও সম্ভাবনা নেই। তাই নিশ্চিন্তেই হাতে মেহেন্দি, গায়ে গয়না ও লেহঙ্গা চাপিয়ে কনের বেশে অনন্যা হয়ে উঠেছিলেন।

কিন্তু মালাবদলের ঠিক আগেই সিনেমার চিত্রনাট্যের মতোই আসে টুইস্ট। ৬০১ ভোটে জয়ের খবর পৌঁছায় তাঁর কানে। ভোটবাক্সে গ্রামবাসীর ভালবাসা পেয়ে আপ্লুত পুনম। এক মুহূর্ত দেরি না করেই পৌঁছে যান গণনা কেন্দ্রে।

সংগ্রহ করেন জীবনের সবচেয়ে বড় সাফল্যের শংসাপত্রটি। পুনমকে দেখে রীতিমতো হকচকিয়েই যান গণনা কেন্দ্রের লোকজন। তারপর তাঁর হাতে তুলে দেন সার্টিফিকেট। সেই ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল।

তাঁর এই উচ্ছ্বাস দেখে অনেকেই বলছেন, যিনি প্রশংসাপত্র পেতে মণ্ডপ ছেড়ে দৌড়ে আসতে পারেন, তিনি গ্রামের সেবাও ঠিক এতটাই মন দিয়ে করবেন। কোনও বাধাই বাধা হতে পারবে না। সত্যিই, ধন্যি মেয়ে বটে!

আজকের প্রশ্ন

পুরো ঢাকায় ‘অঘোষিত কারফিউ’ চলছে। সরকার জনগণকে জিম্মি করে জনগণকে বাদ দিয়ে বিদেশি অতিথিদের নিয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে ব্যস্ত। ফখরুলের এক মন্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?