রবিবার, ০১ আগস্ট ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ১৮ জুন, ২০২১, ১২:২৪:৩৭

মিয়ানমারে লড়াইয়ের মুখে পালিয়ে জঙ্গলে লাখো মানুষ

মিয়ানমারে লড়াইয়ের মুখে পালিয়ে জঙ্গলে লাখো মানুষ

নিউজ ডেস্ক: মিয়ানমারে সাম্প্রতিক লড়াই সহিংসতায় দেশের ভেতরে উদ্বাস্তু হচ্ছে লাখ লাখ মানুষ। তারা পালিয়ে আশ্রয় নিচ্ছে জঙ্গলে।

জঙ্গলের কিছু শিবিরে আশ্রয় নিয়ে আছে অল্পসংখ্যক মানুষ। আবার কিছু শিবিরে হাজার হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। প্লাস্টিক শিটের নিচে গাদাগাদি করে মাথা গুঁজে তারা বৃষ্টি-বাদল থেকে নিজেদের রক্ষার চেষ্টা করছে জাতিসংঘের হিসাবমতে, সাম্প্রতিক সহিংসতার মধ্যে মিয়ানমারের কেবল কায়াহ রাজ্যেই বাস্তুচ্যুত হয়েছে প্রায় ১১০,০০০ মানুষ।

সেইসঙ্গে মিয়ানমারের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে নতুন করে যে লড়াই চলছে তাতে সব মিলে গত ফেব্রুয়ারির সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২ লাখ মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছে।

মিয়ানমারের পূর্বাঞ্চলীয় কায়াহ রাজ্যে বাস্তুচ্যুত হওয়া মানুষেরা বলছেন, তারা খাদ্য সংকটে আছেন। ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে রোগ। শিশুদের অনেকে ডাইরিয়ায় ভুগছে। পরিষ্কার পানির অভাব। অনেকে চাল কিংবা খাবার আনার সুযোগও পাচ্ছেন না।

মিয়ানমার জান্তা তাদের বিরোধীদেরকে সন্ত্রাসীর তকমা দিয়েছে। এর মধ্যে আছে নবগঠিত কারেন ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্সের মতো জান্তা বিরোধী পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেস, যারা ওই অঞ্চলে গত মাস থেকে লড়াই করে আসছে। এ লড়াইয়ে সামরিক বাহিনীতে হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে।

বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের কাছ থেকে আবেদন আসায় এই জান্তা বিরোধীরা মঙ্গলবার হামলা বন্ধ করবে বলে জানালেও, জঙ্গলে আশ্রয় নেওয়া অনেক মানুষই বাড়িঘরে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকি নিতে চাইছে না।

মিয়ানমারে গত ১ ফেব্রুয়ারি সেনাবাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের পর থেকেই দেশটিতে আন্দোলন-বিক্ষোভ চলছে। এ আন্দোলন দমন করতে গিয়ে অন্তত ৮৫০ জনকে হত্যা করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।

জান্তার বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠা মানুষেরা সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন। কয়েকটি রাজ্যে জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গেও মিয়ানমার সেনাবাহিনীর জোর লড়াই চলছে। নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে জান্তা বিরোধীদের সংঘর্ষের পর অনেক জায়গায় গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে।

তুমুল লড়াইয়ের কেন্দ্র হয়ে ওঠা ডেমোসো শহরের কাছের একটি গ্রামের জান্তা বিরোধী এক আন্দোলনকর্মী বলেন, যুদ্ধবিরতির সময় প্রত্যন্ত গ্রামগুলো থেকে কিছু মানুষ খাবার এবং জিনিসপত্র নিতে বাড়িতে ফিরে গেলেও তাদের বেশির ভাগই সেখানে থাকার সাহস পায়নি। বাড়িতে থাকার চাইতে জঙ্গলের ক্যাম্পে থাকাই নিরাপদ। 

কারেন মানবাধিকার গোষ্ঠীর পরিচালক বানিয়া কুং অং বলেন, জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশই এখন জঙ্গলে। বিষয়টিকে আমলে না নিলে বহু মানুষের প্রাণহানি হতে পারে।

এই বিভাগের আরও খবর

  ভূমধ্যসাগর থেকে ৯৩ অভিবাসনপ্রত্যাশী উদ্ধার

  পালানোর জন্য মরিয়া আফগান দোভাষীরা, দোটানায় যুক্তরাষ্ট্র-ব্রিটেন

  সেনা অভিযানে আফগানিস্তানে ১৩১ তালেবান নিহত

  আরো ভয়ানক ধরন তৈরি করতে পারে করোনা: হু

  বিশ্বে সংক্রমণ কমেছে,ইন্দোনেশিয়া-ব্রাজিলে বেড়েছে মৃত্যু

  একই ব্যক্তি ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানির টিকা নিলে ক্ষতি নেই, লাভ আছে: দাবি রাশিয়ার গবেষকদের

  করোনার বিরুদ্ধে অর্জন ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের কারণে হারানোর ঝুঁকিতে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

  করোনায় বিশ্বে সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে

  ঢাকার বাইরের গার্মেন্টকর্মী ও শ্রমিকদের জন্য যে নির্দেশ

  আরব সাগরে ইসরায়েলি জাহাজে হামলায় নিহত ২

  ওমান উপকূলে ইসরাইলি জাহাজে হামলা

আজকের প্রশ্ন

পুরো ঢাকায় ‘অঘোষিত কারফিউ’ চলছে। সরকার জনগণকে জিম্মি করে জনগণকে বাদ দিয়ে বিদেশি অতিথিদের নিয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে ব্যস্ত। ফখরুলের এক মন্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?