বুধবার, ১৪ এপ্রিল ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ০৬ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১১:০৯:৩০

যে কারণে টাকা দিয়ে গোল্ডেন পাসপোর্ট কিনছেন বিত্তশালীরা

যে কারণে টাকা দিয়ে গোল্ডেন পাসপোর্ট কিনছেন বিত্তশালীরা

মাল্টার গোল্ডেন পাসপোর্ট স্কিমের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের বিত্তশালীরা দেশটির নাগরিকত্ব কিনতে পারছেন। আর এ বিষয়ের কড়া সমালোচনা করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে– কেন অসংখ্য মানুষ মাল্টার পাসপোর্ট কিনতে আগ্রহী। বিবিসি রিয়েলিটি চেক এ ঘটনার তথ্য যাচাই করেছে। সেই টিম অনুসন্ধান থেকে জানা গেছে গুরুত্বপূর্ণ অনেক তথ্য।

অভিজাত শিক্ষা, রাজনৈতিক কারণে নতুন দেশে বসবাসের জন্য ধনী ব্যক্তিদের কাছে গোল্ডেন পাসপোর্ট বিক্রি একটি বড় বৈশ্বিক বাজারে পরিণত হয়েছে।

তবে মাল্টায় নাগরিকত্বের দাম কত? আর কেনইবা ধনীরা এ দেশের পাসপোর্ট কিনবেন?

যেভাবে মাল্টায় নাগরিকত্ব কেনা যাবে

মাল্টার নাগরিকত্ব কেনা যাবে মোট সাড়ে ১১ লাখ ইউরো খরচ করে। ধনী ব্যক্তি ও বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে মাল্টার সরকার ২০১৪ সালে এ প্রকল্পটি চালু করেছিল।

পাসপোর্ট পেতে আবেদনকারীদের অবশ্যই নিম্নলিখিত কয়েকটি ক্ষেত্রে অবদান রাখতে হবে

১. জাতীয় উন্নয়ন তহবিলে সাড়ে ছয় লাখ ইউরো।

২. মাল্টিজ স্টক বা শেয়ারে দেড় লাখ ইউরো।

৩. কমপক্ষে সাড়ে তিন লাখ ডলার মূল্যের একটি সম্পত্তি কিনতে হবে (অথবা বছরে ১৬ হাজার ইউরো ভাড়া দিতে হবে)।
৪. আবেদনকারীদের অবশ্যই ১২ মাসেরও বেশি সময় ধরে আবাসিক স্ট্যাটাস থাকতে হবে। যদিও তাদের সেখানে শারীরিকভাবে বসবাস করতে হবে না।

৫. প্রকল্পটি শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৮৩৩ বিনিয়োগকারী এবং দুই হাজার ১০৯ পরিবারের সদস্য মাল্টিজ নাগরিকত্ব অর্জন করেছেন।

৬. একটি মাল্টিজ পাসপোর্ট ধারণকারী ব্যক্তি অন্যান্য ইউরোপীয় দেশে ভিসামুক্ত ভ্রমণের অনুমোদন পায়। কারণ মাল্টা শেংজেন চুক্তির অংশ।

৭. ২০১৭ সালের মাঝামাঝি এবং ২০১৮ সালের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে এই স্কিম থেকে আয় ১৬ কোটি ২৩ লাখ ৭৫ হাজার ইউরোতে উন্নীত হয়, যেটি সেই সময়ে মাল্টার জিডিপির ১ দশমিক ৩৮ শতাংশের সমান, যদিও ২০১৮ সালে পাসপোর্ট কেনার হার পড়ে যায়।

৮. মাল্টার মতো ছোট দেশগুলোর জন্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে এ ধরনের স্কিম নেয়ার পরিষ্কার প্রণোদনা রয়েছে।

কারা কিনছে মাল্টার পাসপোর্ট?

যেসব দেশের নাগরিক এই সোনালি পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেছেন, তাদের সম্পর্কে পৃথক দেশ হিসেবে কোনো তথ্য মাল্টার সরকার প্রকাশ করে না। কিন্তু তারা অঞ্চল হিসেবে তথ্য দিয়ে থাকে।

আবেদনকারী নাগরিকদের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে ইউরোপের নাগরিকরা। এর পর মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় এলাকা এবং তার পর এশিয়া অঞ্চল।

সূত্র বিবিসি বাংলা

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?