শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২০, ০৫:৩০:৫৬

গত ১১ বছরে মিডিয়ার ঊর্ধ্বমুখী প্রবৃদ্ধি হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

গত ১১ বছরে মিডিয়ার ঊর্ধ্বমুখী প্রবৃদ্ধি হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা : শেখ হাসিনা একজন সাংবাদিক বান্ধব প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘গত ১১ বছরে মিডিয়ার এক্সপোটেন্সিয়াল গ্রোথ হয়েছে। যেটি অভূতপূর্ব।’

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের বার্ষিক সাধারণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘যেখানে ১১ বছর আগে সাড়ে চারশ দৈনিক পত্রিকা ছিল, এখন সেটি ১২৫০ এ উন্নীত হয়েছে। ১১ বছর আগে যেখানে টেলিভিশন চ্যানেল ১০টি ছিল এখন সেটি ৩৪টিতে উন্নীত হয়েছে। ১১ বছর আগে যেখানে হাতেগোনা কয়েকটি অনলাইন পত্রিকা ছিল, এখন রেজিস্ট্রেশনের জন্য সাড়ে ৩ হাজার অনলাইন পত্রিকা আবেদন করেছে। আইপিটিভির জন্য প্রায় ৫০০ আবেদন জমা পড়ে আছে। গত ১১ বছরে মিডিয়ার এক্সপোটেন্সিয়াল গ্রোথ হয়েছে। যেটি অভূতপূর্ব। অনেক দেশে পত্রিকার সংখ্যা কমেছে গত ১০-১১ বছরে। ইউরোপের অনেক দেশে পত্রিকার সংখ্যা কমেছে। সরকারের গণমাধ্যমে বান্ধব নীতির কারণে এটি সম্ভব হয়েছে। এর সঙ্গে নানা চ্যালেঞ্জ যুক্ত হয়েছে যেগুলা আপনারা মোকাবিলা করছেন।’

তিনি বলেন, ‘আপনাদের পক্ষ হয়ে আমাকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়ার পর আপনাদের দৃষ্টিতে আমি পুরো বিষয়টাকে দেখার চেষ্টা করেছি। প্রথম থেকেই আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে, আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার চেষ্টা করেছি। আপনারা জানেন- অন্যান্যবার ওয়েজ বোর্ড ঘোষণা করা এত বড় চ্যালেঞ্জ ছিল না। এবার নবম ওয়েজবোর্ড ঘোষণা করাটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। হাইকোর্টে কিন্তু সেটা নিয়ে মামলা চলছে। এই মামলা ভালো মতো মোকাবিলা করার জন্য আমি এটর্নি জেনারেলের সঙ্গে বেশ কয়েকবার কথা বলেছি। মন্ত্রণালয় থেকে আইনজীবী নিয়োগ দেয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ে আগে প্যানেল আইনজীবী ছিল না, আমি আসার পর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা সেটা মোকাবিলা করছে যাতে মামলার বেড়াজালে এটি আটকে রাখতে না পারে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মনে করি- সংবাদপত্রে যারা বিনিয়োগ করেন, সেখানে সাংবাদিকরা যদি কাজ না করেন, তাহলে সে সংবাদপত্র চলবে না। সুতরাং সংবাদপত্র টিকিয়ে রাখে সাংবাদিকরা। তাদেরকে বঞ্চিত করে কোনও সংবাদপত্রের সমৃদ্ধি আসতে পারে না। সেজন্য আমি মনে করি- নবম ওয়েজ বোর্ড যেটা ঘোষণা করা হয়েছে সেটি অবশ্যই পালন করা উচিত।’

এসময় তথ্যমন্ত্রী জানান, সহসাই মন্ত্রী পরিষদে উঠবে গণমাধ্যমকর্মী আইন। বর্তমানে সেটি আইন মন্ত্রণালয়ে আছে। সেখানে থেকে তথ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠালে সেটি মন্ত্রী পরিষদে পাঠানো হবে বলে জানান তিনি।

খালেদা জিয়ার মামলার জামিন প্রসঙ্গে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘খালেদা জিয়ার রায় হবে আজকে। খালেদা জিয়ার রায় তো আদালতের ব্যাপার। সরকারের কোনো কিছু করার নেই এখানে। আদালত যদি মনে করেন তাকে জামিন দিবেন। এটি একান্তই আদালতের ব্যাপার এটি সরকারের কোনো বিষয় নয়।’

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি মোল্লা জালাল, মহাসচিব শাবান মাহমুদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু জাফর সূর্য ও সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী প্রমুখ।

এই বিভাগের আরও খবর

  শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে করোনা টিকা এসেছে: তাপস

  বক্তব্যে সীমারেখা অতিক্রম করা থেকে বিরত থাকতে হবে: কাদের

  ২০৪১ সালের আগেই দেশ হবে সোনার বাংলা : তথ্যমন্ত্রী

  দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠছে: ডা. ইরান

  ভ্যাকসিন নিয়ে মন্ত্রীদের বক্তব্য সতীনের ছেলেকে বাঘ মারতে পাঠানোর মতো: রিজভী

  বাংলাদেশকে ‘নতজানু’ করে রাখার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল

  ক্ষমতায় যারা আছে তাদের ক্ষমতায় থাকার কথা নয়: মান্না

  প্রতিক্রিয়াশীলতা এখন বিএনপির রাজনৈতিক চরিত্রের অংশ : কাদের

  গভীর রাতে শীতার্তদের মাঝে রিজভী

  বিএনপি সবকিছুতেই লুটপাট দেখে : তথ্যমন্ত্রী

  পৌর নির্বাচনে নৌকার বিপক্ষে গেলেই কঠোর ব্যবস্থা: কাদের

আজকের প্রশ্ন

বিএনপির নেতারা আইন না বুঝেই মন্তব্য করে আইনমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে আপনি কি একমত?