রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২০, ০২:৪৪:৪৮

ইচ্ছা করলেই জিয়াউর রহমানের নাম মোছা যায় না: গয়েশ্বর

ইচ্ছা করলেই জিয়াউর রহমানের নাম মোছা যায় না: গয়েশ্বর

ঢাকা : রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জিয়াউর রহমানের সাইন বোর্ড খুলে ফেলা নিয়ে সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

তিনি বলেছেন, ‘আমরা ইতিহাস সৃষ্টি করবো। এই বাংলাদেশে বাস করতে হলে, ঢাকা শহরে বাস করতে হলে যাদের হাতে সাইনবোর্ড খোলা হচ্ছে তাদেরকেই সেগুলো লাগাতে হবে।’

সোমবার (৩০ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

গয়েশ্বর বলেন, ‘ইচ্ছা করলেই জিয়াউর রহমানের নাম মোছা যায় না। কারণ জিয়াউর রহমানের নাম ও তাঁর ছবি স্বাধীনতাকামী, গণতন্ত্রে বিশ্বাসী, দেশপ্রেমিক জনগণের হৃদয়ে আঁকা। এই ছবি ছিড়ে ফেলা যায় না, মুছে ফেলা যায় না। কারণ এটা হৃদয়ে লেখা, কালিতে লেখা নয়।’

তিনি বলেন, ‘সেকারণেই বলছি, এই নাম যত স্পর্শ করবেন ততো হাত ভারি হবে। তার শাস্তি ভোগ করার জন্য আগামী দিনে প্রস্তুত থাকতে হবে। আজকে জিয়াউর রহমানের নাম মোছা হচ্ছে, আবার প্রতিদিন টাকা খরচ করে আপনাদের নাম টয়লেট থেকে শুরু করে পাহাড়ের চূড়ায় লেখা হচ্ছে। স্বাধীনতাযুদ্ধের মহানায়ককে যদি মুছে ফেলতে চান, যেদিন রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকবেন না, সেদিন জনগণ শুধু আপনাদের নাম মুছবে না, সাদা চুন দিয়ে একেবারে পরিষ্কার করে ফেলবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি ইঙ্গিত করে গয়েশ্বর বলেন, ‘আপনি আজকে পিতার ভাস্কর্য বানান, তাতে আপত্তি নাই। কিন্তু ১৫ আগস্ট যারা আপনার পিতার লাশ পড়ে থাকা অবস্থায় লুঙ্গি পরে দেশ ছেড়ে বিদেশে আশ্রয় নিল, তার সংখ্যা ৫ হাজারের মতো। এইসব বেঈমান কাপুরুষদের ব্যবহার করে আপনি যা খুশি করবেন, সেটা মানানসই কতটুকু আপনি নিজেই বিবেচনা করবেন। যারা গায়েবি জানাজা পর্যন্ত পড়লো না তাদের কী অধিকার আছে এই নেতার (শেখ মুজিবের) নাম উচ্চারণ করার। তাদেরকে কেন আপনি পুরস্কৃত করেন? শেখ মুজিবকে আমরা অপমান করি না, তার জায়গা ইতিহাসে যেখানে আছে সেখানেই থাকবে। তার যতটুকু অবদান আছে সেটা আমরা স্বীকার করবো, এটাই নিয়ম। কিন্তু আপনার বাবার সঙ্গে যারা বেঈমানি করেছে তাদের পুরস্কৃত করবেন না।’

গয়েশ্বর বলেন, ‘ইতিহাস বলে একটি ডাকের দরকার ছিল, সেটি দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণকারী সবাইকে আমাদের স্মরণ করতে হবে। জিয়াউর রহমান সর্বকালের শ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা। সে কারণেই তার নাম মোছা ইতিহাসকে বিকৃত করার অপচেষ্টা। এ কাজ করে জনগণের হৃদয়ে যে আঘাত করছেন, এ আঘাতের পাল্টা আঘাত পাওয়ার জন্য আপনাকে (প্রধানমন্ত্রী) প্রস্তুত থাকতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, ‘সেই কারণেই বলছি, নাম লেখালেখি আর মোছাও বন্ধ করেন। জনগণের ওপর ছোড়া পাথর সরানোর দায়িত্ব আমাদের ওপর বর্তায়, এই কারণে জিয়াউর রহমানের দল করি। আপনারা সবাই পালালেও সেদিন জিয়াউর রহমান পালায় নাই। এই নাম মোছা যায় না, এই নাম মুছতে গেলে নিজের নাম মুছে যায়।’

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেলের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল প্রমুখ।

এই বিভাগের আরও খবর

  ১৯৭৫ সালের ঘটনার সঙ্গে ভারতীয় গোয়েন্দা বাহিনীর যোগসূত্র আছে: ডা. জাফরুল্লাহ

  শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে করোনা টিকা এসেছে: তাপস

  বক্তব্যে সীমারেখা অতিক্রম করা থেকে বিরত থাকতে হবে: কাদের

  ২০৪১ সালের আগেই দেশ হবে সোনার বাংলা : তথ্যমন্ত্রী

  দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠছে: ডা. ইরান

  ভ্যাকসিন নিয়ে মন্ত্রীদের বক্তব্য সতীনের ছেলেকে বাঘ মারতে পাঠানোর মতো: রিজভী

  বাংলাদেশকে ‘নতজানু’ করে রাখার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল

  ক্ষমতায় যারা আছে তাদের ক্ষমতায় থাকার কথা নয়: মান্না

  প্রতিক্রিয়াশীলতা এখন বিএনপির রাজনৈতিক চরিত্রের অংশ : কাদের

  গভীর রাতে শীতার্তদের মাঝে রিজভী

  বিএনপি সবকিছুতেই লুটপাট দেখে : তথ্যমন্ত্রী

আজকের প্রশ্ন

বিএনপির নেতারা আইন না বুঝেই মন্তব্য করে আইনমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে আপনি কি একমত?