রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০, ০১:৪৬:০২

ভালোবেসে গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন ম্যারাডোনা

ভালোবেসে গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন ম্যারাডোনা

নিউজ  ডেস্ক : আর্জেন্টিনা ও নাপোলির জার্সিতে বল পায়ে জাদুতে কোটি কোটি ভক্তকে মুগ্ধ করেছিলেন ডিয়েগো ম্যারাডোনা। অগণিত ভক্তের মনে জায়গা করে নিয়েছেন বিশ্বকাপজয়ী এই কিংবদন্তি। ফুটবল জীবনের মতো ব্যক্তিজীবনেও বারবার ম্যারাডোনা আলোচনায় ছিলেন প্রেমের কারণে। একবার তো গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন।

মাত্র ১৭ বছর বয়সে ক্লদিয়া ভিলাফেনের সঙ্গে প্রেমে পড়েছিলেন তরুণ ম্যারাডোনা। ১৯৮৯ সালে দীর্ঘ সময়ের বান্ধবীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন ফুটবল রাজপুত্র। ক্লদিয়া ১৯৬২ তে জন্মেছিলেন তিনি পরবর্তী পর্যায়ে টিভি পার্সোনালিটি ও প্রেজেন্টর হয়ে ওঠেন।

২০০৪ সালে দুজনের মধ্যে ডিভোর্স হয়। কিন্তু এরপরেও একাধিকবার তাদের দুজনকে একসঙ্গে দেখা গেছে। ২০০৬ বিশ্বকাপেও একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল তাদেরকে।

এ বছরেই আর্জেন্টিনা মাস্টারশেফে অংশ নিয়েছিলেন ক্লদিয়া। ২০১৮ সালে তিনি নিজের স্ত্রীর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ করেছিলেন। ফ্লোরিডায় তার টাকা চুরি করে বাড়ি কিনেছেন তার প্রাক্তন স্ত্রী এমনটাই জানিয়েছিলেন ম্যারাডোনা।

একাধিক মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক হলেও এরপর আর বিয়ে করেননি ম্যারাডোনা। তবে ২০১২ সালে রোকিও ওলিভিয়ার প্রেমে একেবারে হাবুডুবু খাচ্ছিলেন তিনি। ২০১৪ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে তাদের বাগদান পর্ব সারা হয়। এই সম্পর্ক নিয়ে ওলিভা বলেন, ‘ম্যারাডোনা আমাকে কিছু ফুল পাঠায় এবং আমি অবাক হয়ে যাই; যখন তিনি আসলেন আমি তার প্রেমে পড়ে যাই।’

২০১২ সালে প্রথম দেখা হয়েছিল দুজনের। সাবেক ফুটবলার বলে ওলিভার সঙ্গে ম্যারোডোনার জমেছিলও ভালো। বান্ধবীকে বুয়েন্স আয়ার্সের বেলা ভিস্তায় একটি বাড়িও কিনে দিয়েছিলেন ম্যারাডোনা। কিন্তু ওলিভা ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে শুধু ছয় বছরের সম্পর্কেই দাঁড়ি টানেননি, ম্যারাডোনাকে বের করে দিয়েছিলেন তার কিনে দেয়া বাড়ি থেকেও। সঙ্গে একটি মামলাও করেছিলেন তার বিরুদ্ধে।
সেই মামলায় মেক্সিকোতে গ্রেফতার করা হয় ম্যারাডোনাকে। পরে অবশ্য গ্রেপ্তার দেখিয়ে ছেড়ে দেয়া হয় তাকে। বলা হয়, শুনানির দিন আদালতে উপস্থিত থাকতে।

ম্যারাডোনার পাঁচ সন্তান। তার এক পুত্র ডিয়েগো সিনাগ্রা ইতালিতে ক্লাব ফুটবলে খেলেন। ১৯৮৬ তে স্থানীয় নাপোলির মহিলার সঙ্গে সম্পর্কের জেরে এই ছেলের জন্ম। যা অবশ্য স্বীকৃতি দিতে চাননি ম্যারাডোনা। ২০০৭ অবধি এটাই চেয়েছিলেন তিনি।

বুয়েন্স আয়ান্সের সংবাদমাধ্যমে এই কাহিনী সামনে আসার পর তিনি জানিয়েছিলেন আমি তাকে খুব ভালোবাসি ও খুবই আমার মত। ২০১৯ এ তিনি তিনজন কিউবার সন্তানের পিতৃত্বের দায়িত্ব মেনে নেন। ক্লদিয়ার সঙ্গে তার দুজন কন্যা সন্তান ছিল। তাঁদের নাম ডালমা ও জিয়ানিয়া।

ম্যারাডোনার কন্যা জিয়ানিয়ার সঙ্গে আর্জেন্টাইন তারকা সার্জিও অ্যাগুয়েরোর বিবাহিত জীবন চার বছরের। এদের সন্তানের নাম বেঞ্জামিন। তাদের বিচ্ছেদ হয় ২০১২ সালে।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপির নেতারা আইন না বুঝেই মন্তব্য করে আইনমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে আপনি কি একমত?